স্ত্রী-তিন সন্তানসহ পরিবারের ৯ জনকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন আশরাফুল রহমান জনি। বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ছেন তিনি। শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকালে সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা গেছে।
জনিও তার ছোট ভাই সাব্বিরের বিয়েতে খুলনার কয়রায় গিয়েছিলেন। পরিবারের সবাই মাইক্রোবাসে উঠিয়ে পিছনে মোটরসাইকেলে আসছিলেন তিনি। তাই প্রাণে বেচে গেছেন। চোখের সামনে মারা গেছেন স্ত্রী ফারজানা সিদ্দিকা পুতুল, ছেলে আবু তালহা আলিফ, ইরাম ও রায়হানা রহমান। আর গাড়ির ভিতর থেকে বের করা বিভৎস বাবা, ভাই, বোন, ভাগনে-ভাগনির মরদেহও দেখেন।
এতো আপনজনকে হারিয়ে এখন বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন জনি। আর পরিবারের মৃত্যুর খবর পেয়ে গতকাল থেকে অসাড় হয়ে রয়েছেন মা আঞ্জুমানয়ারা। আর বেঁচে থাকা আরেক ভাই সাদ্দাম ক্ষণে ক্ষণে মুর্ছা যাচ্ছেন।
জনির মামা নেসারুল ইসলাম সবুজ বলেন, আমার ভাগনে জনির স্ত্রীসহ তিন সন্তান মারা গেছে। মারা গেছে ভাগনের বাবা, ভাই, বোনসহ ৯জন। এরপর থেকে জনি আর কোনো কথাবার্তাই বলছে না। বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন, ঝিম দিয়ে থাকছেন, কখনও কখনও একটু একটু করে তাকাচ্ছেন। কিছুই বলতে ও করতে পারছেন না জনি।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) মোংলা উপজেলার বেলাই ব্রিজ এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায়া একই পরিবারের ১৩ জন ও মাইক্রোবাস চালক নিহত হন।
জনিও তার ছোট ভাই সাব্বিরের বিয়েতে খুলনার কয়রায় গিয়েছিলেন। পরিবারের সবাই মাইক্রোবাসে উঠিয়ে পিছনে মোটরসাইকেলে আসছিলেন তিনি। তাই প্রাণে বেচে গেছেন। চোখের সামনে মারা গেছেন স্ত্রী ফারজানা সিদ্দিকা পুতুল, ছেলে আবু তালহা আলিফ, ইরাম ও রায়হানা রহমান। আর গাড়ির ভিতর থেকে বের করা বিভৎস বাবা, ভাই, বোন, ভাগনে-ভাগনির মরদেহও দেখেন।
এতো আপনজনকে হারিয়ে এখন বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন জনি। আর পরিবারের মৃত্যুর খবর পেয়ে গতকাল থেকে অসাড় হয়ে রয়েছেন মা আঞ্জুমানয়ারা। আর বেঁচে থাকা আরেক ভাই সাদ্দাম ক্ষণে ক্ষণে মুর্ছা যাচ্ছেন।
জনির মামা নেসারুল ইসলাম সবুজ বলেন, আমার ভাগনে জনির স্ত্রীসহ তিন সন্তান মারা গেছে। মারা গেছে ভাগনের বাবা, ভাই, বোনসহ ৯জন। এরপর থেকে জনি আর কোনো কথাবার্তাই বলছে না। বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন, ঝিম দিয়ে থাকছেন, কখনও কখনও একটু একটু করে তাকাচ্ছেন। কিছুই বলতে ও করতে পারছেন না জনি।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) মোংলা উপজেলার বেলাই ব্রিজ এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায়া একই পরিবারের ১৩ জন ও মাইক্রোবাস চালক নিহত হন।
অনলাইন ডেস্ক